০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ভোট ভাগাভাগির গুঞ্জন, বিজয়ের যুদ্ধে মাঠে নেমেছে ৯ প্রার্থী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৩৬ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে ভোটের মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জোট, দলীয় ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে বিজয়ের যুদ্ধে মাঠে নেমেছে ৯ জন প্রার্থী। ফলে ভোট ভাগাভাগির গুঞ্জন শুরু হয়েছে সাধারণ ভোটার ও সচেতন মহলে।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা দলীয় নেতা-কর্মী নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে বিজয়ের লক্ষে মাঠে নেমেছেন। তবে এই আসনে বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলেরই বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, তিনি ফুটবল প্রতীক নিয়ে ভোট যুদ্ধে মাঠে নেমেছেন। একই রাজনৈতিক দলের দুই প্রার্থীর কারণে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শহরে-গ্রামে ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে ভোট চাইছেন আতাউর রহমান আতা। কয়েকটি এলাকায় তার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। প্রার্থী বেশী হওয়ায় ভোট ভাগাভাগিতে তার জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বেশ কিছু ভোটার জানান।

এছাড়া এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি মফিজুল ইসলাম খান কামাল সূর্যমুখী ফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে ভোট চাইছেন। জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে আবুল বাশার বাদশা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীক মুহাম্মদ সাইদ নুর, জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীক নিয়ে সামসুদ্দিন, বাংলাদেশ জাসদের মোটরগাড়ি প্রতীত নিয়ে মো. সাজাহান আলী এবং মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে রফিকুল ইসলাম খান নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।

১০ দলীয় প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে রিকশা প্রতীক নিয়ে মুহাম্মদ সাইদ নুরও ব্যাপক ভোট পেয়ে বিজয়ী হওয়ার আশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীসহ তার পক্ষে ১০ দলীয় নেতা-কর্মীরা ভোট চাইছেন।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংগঠনবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় আতাউর রহমান আতাকে জেলা বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ভোট ভাগাভাগির গুঞ্জন, বিজয়ের যুদ্ধে মাঠে নেমেছে ৯ প্রার্থী

Update Time : ০৭:০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে ভোটের মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জোট, দলীয় ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে বিজয়ের যুদ্ধে মাঠে নেমেছে ৯ জন প্রার্থী। ফলে ভোট ভাগাভাগির গুঞ্জন শুরু হয়েছে সাধারণ ভোটার ও সচেতন মহলে।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা দলীয় নেতা-কর্মী নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে বিজয়ের লক্ষে মাঠে নেমেছেন। তবে এই আসনে বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলেরই বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, তিনি ফুটবল প্রতীক নিয়ে ভোট যুদ্ধে মাঠে নেমেছেন। একই রাজনৈতিক দলের দুই প্রার্থীর কারণে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শহরে-গ্রামে ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে ভোট চাইছেন আতাউর রহমান আতা। কয়েকটি এলাকায় তার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। প্রার্থী বেশী হওয়ায় ভোট ভাগাভাগিতে তার জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বেশ কিছু ভোটার জানান।

এছাড়া এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি মফিজুল ইসলাম খান কামাল সূর্যমুখী ফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে ভোট চাইছেন। জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে আবুল বাশার বাদশা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীক মুহাম্মদ সাইদ নুর, জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীক নিয়ে সামসুদ্দিন, বাংলাদেশ জাসদের মোটরগাড়ি প্রতীত নিয়ে মো. সাজাহান আলী এবং মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে রফিকুল ইসলাম খান নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।

১০ দলীয় প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে রিকশা প্রতীক নিয়ে মুহাম্মদ সাইদ নুরও ব্যাপক ভোট পেয়ে বিজয়ী হওয়ার আশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীসহ তার পক্ষে ১০ দলীয় নেতা-কর্মীরা ভোট চাইছেন।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংগঠনবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় আতাউর রহমান আতাকে জেলা বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।